বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ শুরুর আগেই ইনজুরির কবলে পড়েছে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। বাম পায়ের গোঁড়ালিতে আঘাত পেয়েছেন দলের মূল ক্রিকেটার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তবে ইনজুরি কতটুকু গুরুতর সেটা অবশ্য জানা যায়নি। সোমবার জানা যাবে হয়তো। রোববার (২২ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একাডেমি মাঠে অনুশীলনে নামে রাজশাহী। অনুশীলনের শুরুতেই ফুটবল খেলার সময় গোঁড়ালিতে ব্যথা পান সাইফউদ্দিন। পড়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়েন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। রাজশাহীর ম্যানেজার হান্নান সরকার জানিয়েছেন, তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হান্নান সরকার বলেন, ‘আপাতত ওকে (সাইফউদ্দিন) পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এরপর প্রয়োজন হলে এক্স-রে করাব। আগামীকাল সকাল ১১টায় আমাদের অনুশীলন সেশনে জানা যাবে ওর চোট কতটা গুরুতর। ’ আগামী ২৪ নভেম্বর উদ্বোধনী ম্যাচে বেক্সিমকো ঢাকার বিপক্ষে মাঠে নামবে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী দল: মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শেখ মেহেদি হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, নুরুল হাসান সোহান, ফরহাদ রেজা, মোহাম্মদ আশরাফুল, আরাফাত সানি, এবাদত হোসেন, ফজলে মাহমুদ রাব্বি, রনি তালুকদার, আনিসুল ইমন, রেজাউর রহমান, জাকির আলী অনিক, রাকিবুল হাসান (সিনিয়র), মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও সানজামুল ইসলাম।
Category : যুক্তরাষ্ট্র
ডেস্ক: ভারতে ঝড়ের গতিতে বাড়ছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। এবার এক লাফে প্রায় ৫৫ শতাংশ বাড়ল দেশটির দৈনিক সংক্রমণ। মঙ্গলবার দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৩৭ হাজার ৩৭৯। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় তা ২১ হাজারেরও বেশি বেড়েছে।বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৯৭ জন। মৃত্যুর সংখ্যা মঙ্গলবারের তুলনায় প্রায় ৪ গুণ বেড়েছে। মঙ্গলবার গোটা ভারতে কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১২৪। কিন্তু শেষ ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মৃত্যু। এই সময়ে ৫৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার
প্রকৌশল বিদ্যায় লেখাপড়া করে পাড়ি জমান সুদুর আমেরিকায়। ভেবেছিলেন সেখানে গিয়ে প্রথম সারির কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করবেন। কিন্তু চিন্তাও করেননি আমেরিকায় টিকে থাকতে হলে নতুন করে পড়তে হবে শিখতে হবে। যখন কোথাও ভাল চাকরি মেলেনি তখন কম্পিউটার বিদ্যার ওপর অধিক দক্ষতা অর্জন করতে স্কিল ডেভলপমেন্ট প্রগ্রোমে ভর্তি হন। সেখানে সংগ্রামী জীবন শেষ করে পেয়ে যান স্বপ্নের চাকরি। তার এই সংগ্রামী জীবনের পেছনে সারথি হিসেবে পান আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটি। সেখান থেকে উচ্চতর শিক্ষা নিয়ে নিজের জীবনের চাকা যেমন ঘুরিয়ে ফেলেন। তেমনি হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন বুননের অগ্রনায়ক হিসেবে দেখা দেন আবুবকর হানিপ। তিনি এখন আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটির মালিক। স্বপ্ন দেখেন তার ইউনির্ভাসিটির শিক্ষার্থীরা একদিন গুগল, টুইটার, অ্যামাজনে চাকরি করবে। নিজের সেই সংগ্রামী জীবনের কথা ও দেশের তরুন যুব সমাজের স্বপ্ন বুনন নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাংলাদেশী-আমেরিকান মালিকানাধীর বিশ্ববিদ্যালয় আই গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রকোশলী আবুবকর হানিপ। প্রশ্ন: আপনার আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটির গল্পটা যদি একটু বলেন। আবুবকর হানিপ: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করে আমেরিকাতে যাই। ওখানে গিয়ে আমি অড জব (রেস্টুরেন্ট বা নিম্ন শ্রেণির চাকরি) করতাম। তখন আমি ভাবলাম উচ্চ শিক্ষার বিকল্প নাই। সেজন্য আমি সেখানে কম্পিউটারে মাস্টার্স করলাম। সেখানে ৪ এর উপরে জিপিএ পেয়েও যখন চাকরি পাচ্ছিলাম না। তখন আমাকে এক্সর্টা স্কিল ডেভলেপমেন্টর উপরে সময় দিতে হয়েছিল। আমি অনেকগুলো কোর্স করলাম। এক সময় আমার একটা চাকরি হলো। সেই চাকরিটা মধ্য স্তর থেকে উচ্চ স্তরের চাকরি ছিল। আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখলাম মাস্টার্স করার পরেও স্কিল ডেভলপ করেই চাকরি হলো। যখন আমি চাকরিতে ঢুকলাম তখন আমার মাথায় ঢুকল কিভাবে বাংলাদেশীদেরকে আমেরিকার মূলধারায় আনা যায়। ততক্ষণে আমি দেখেছি অনেকে বিবিএ-মাস্টার্স করেছে কিন্তু চাকরি পায়নি, তাদের আমন্ত্রণ করলাম। এরপর তাদেরকে প্রথমে আমার অ্যাপার্টমেন্টে রেখে পড়ালাম, তারপর আমার বাসার বেইজমেন্টে রেখে পড়ালাম। প্রায় ৩০০ মানুষকে স্কিল ডেভলপ করে আমেরিকার মেইন স্ট্রিমের জব দিতে পেরেছিলাম। যেখানে তারা বছরে ৪০,০০০ হাজার ডলার আয় করত সেখানে তাদের ৮০,০০০-২০০,০০০ ডলারের উপরে চাকরি দিতে পেরেছি। তারপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজ্যে আমাদের ইনস্টিটিউট চালু করলাম। এখন প্রায় ৭ হাজার এর অধিক মানুষ আমেরিকার মূল ধারায় চাকরি করছে। আমেরিকা সরকার প্রতিবছর ৬০ হাজার দক্ষ মানুষকে এইচ১বি (H1B) ক্যাটাগরির চাকরির ভিসা প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়ে যায়। তাদের ওখানে কিন্তু দক্ষ লোকের চাহিদা আছে। আমার কাছে তখন মনে হয়েছে এরকম একটা পদ্ধতি যদি থাকত, সেখানে যদি দক্ষতা উন্নয়নের পদ্ধতি বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে প্রত্যেকটা লোক যারা আমাদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চাকরি পাবে। এজন্য খুঁজে পেলাম ‘ইনোভেটিভ গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটি বা আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটি। প্রশ্ন: আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটিতে ডিগ্রি নেওয়ার পর বাংলাদেশে বা অন্য কোন দেশে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন সুবিধা পাওয়া যায়? আবুবকর হানিপ: আমেরিকার ডিগ্রি পৃথিবীর যে কোন জায়গায় গ্রহণযোগ্য ওখান থেকে কিউ ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরলে তার জন্য অনেক বড় বড় চাকরি অপেক্ষা করছে। প্রশ্ন: আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটি আমেরিকা সরকারের অনুমোদন প্রাপ্ত কি-না? আবুবকর হানিপ: আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৮ থেকে করা। এটা অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়। এটার এসিআরসি’র অনুমোদন আছে। ডিপার্টমেন্ট অব স্টেজের অনুমোদন আছে। যেটার মাধ্যমে ফ্যাকাল্টি পরিবর্তন হতে পারে। আমাদের শিক্ষার্থীরা বেশি লাভবান হবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আমাদের ফলো করবে। আমরা ডিগ্রি দিচ্ছি পাশাপাশি দক্ষতা শেখাচ্ছি। প্রশ্ন: আই গ্লোবাল ইউনির্ভাসিটির কতজন শিক্ষার্থী আমেরিকার ভিসা পেয়েছে? আবুবকর হানিপ: বর্তমান কোয়ার্টারে বাংলাদেশ থেকে ৪০ জন ভিসা পেয়েছে। যেটা অক্টোবর থেকে শুরু হলো। জানুয়ারি থেকে যেটা শুরু হয়েছে এরইমধ্যে ৯০ জন ভিসা পেয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করছি ১৫০ ছাড়িয়ে যাবে। এটা শুধু বাংলাদেশের এছাড়া পৃথিবীর ১০০ টা দেশ থেকে আমাদের শিক্ষার্থী আসে। প্রায় ৬০০ এর মতো শিক্ষার্থী আছে। এছাড়া স্থানীয় শিক্ষার্থীরা আছে। আমেরিকার গ্রিন কার্ড যারা পাবে তাদের সহায়তা করা হবে। প্রশ্ন: আপনি কি স্বপ্ন দেখেন আপনার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা গুগল, টুইটারে, অ্যামাজনে চাকরি করবে? আবুবকর হানিপ: এটা তো হবেই। সে কারণেই আমার উদ্দেশ্য এখান থেকে যদি মেধাবী শিক্ষার্থী নিতে পারি। এদের যদি পরিচর্যা করতে পারি। তাহলে এরা আমেরিকার মূল ধারায় ফরচুন-১ কোম্পানিগুলোতে চাকরি করতে পারবে। সেই স্বপ্ন তো অবশ্যই দেখি। দেশে প্রাইভেট এবং পাবলিকসহ প্রায় ১৬২ টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তারমধ্যে ৫২টি হলো পাবলিক আর ১০৮ টি হলো প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আর দুইটা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস রয়েছে। এসকল বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে দক্ষতা উন্নয়ন হয়, তারা যাতে আমার পদ্ধতি অনুসরণ করে তারাও উপকৃত হতে পারে। আমি সহযোগিতা করব। সবার সঙ্গে কাজ করব। প্রতি বছর অসংখ্য শিক্ষার্থী বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে। সবারই লক্ষ্য থাকে সরকারি চাকরি। সবাই তো পায় না। দেখা যায় ডাক্তারি পরে পুলিশ অফিসার, ইঞ্জিনিয়ারিং চলে যাচ্ছে ফরেন ক্যাডারে। এদের যদি পরিপূর্ণভাবে দক্ষ করা যায় তাহলে যে সকল সাবজেক্টের চাহিদা রয়েছে সেগুলোর উপর দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। আমি স্বপ্ন দেখি একদিন আমার দেশের ছেলেরা ফরচুন-১ কোম্পানিগুলোতে চাকরি করবে। প্রশ্ন: দীর্ঘক্ষণ সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আবুবকর হানিপ: আপনাকেও ধন্যবাদ।সাক্ষাতকার গ্রহণে শাহজাহান মোল্লা, ঢাকাপ্রকাশ
ফ্রান্সে ছুরি হামলায় এক শিক্ষক নিহতের ঘটনার পর ইসলামপন্থিদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া পুলিশী অভিযানের মধ্যে রাজধানী প্যারিসের উপকণ্ঠে একটি মসজিদ সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবরে বলা হয়েছে, প্যারিসের উপকণ্ঠে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি শহরতলীর এই গ্র্যান্ড মসজিদ ফেইসবুকে একটি ভিডিও শেয়ার করেছিল শিক্ষক সেমুয়েল প্যাটি খুন হাওয়ার আগে। ওই ভিডিও প্যাটির বিরুদ্ধে ঘৃণা উস্কে দিয়েছে। পুলিশ মঙ্গলবার মসজিদের বাইরে মসজিদটি বন্ধের নোটিশ সেঁটে দিয়েছে। ঘৃণা-বিদ্বেষ যারাই ছড়াবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে কর্র্তৃপক্ষ। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঠেকাতে ছয় মাসের জন্য মসজিদটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নোটিশ ইস্যুকারী দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তা। ফ্রান্সে গত শুক্রবার ৪৭ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষক সেমুয়েল প্যাটিকে প্রকাশ্য দিবালোকে গলা কেটে হত্যার পর ঘটনাস্থলের কাছেই পাহারায় থাকা পুলিশের গুলিতে হামলাকারী নিহত হয়।
অবশেষে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মামলা করেছেন তুরস্কে নৃশংসভাবে নিহত সাংবাদিক জামাল খাশোগির বান্ধবী হাতিস চেঙ্গিস। মামলায় সৌদি প্রিন্সকে খাশোগি হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, নিহত সাংবাদিক খাশোগি সৌদি আরবের একজন বাসিন্দা এবং ভিন্ন মতাবলম্বী। এ কারণে তাকে টার্গেট করে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি খাশোগি এবং হাতিস চেঙ্গিসের প্রতিষ্ঠা করা মানবাধিকার সংস্থার ক্ষয়ক্ষতি করেছেন। ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তান্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে খুন করা হয় খাশোগিকে। শুরুতে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বিষয়টি অস্বীকার করা হলেও তুরস্ক আন্তর্জাতিক চাপের মুখে দায় স্বিীকার করেন সৌদি প্রিন্স। মার্কিন টিভি চ্যানেল পিবিএসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রিন্স সালমান বলেন, খাশোগি হত্যার দায় তার নিজের, কারণ তার পর্যবেক্ষণ ও তত্ত্বাবধানে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
থাইল্যান্ডে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে তিন মাস ব্যাপী চলা বিক্ষোভ দমনে জরুরি অবস্থা জারি করেছে দেশটির সরকার। রাজতন্ত্রে সংস্কার এবং প্রধানমন্ত্রী প্রয়ুথ চান-ওচার পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিক্ষোভ চলাকালে দুই নেতাসহ ২০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানায়। থাইল্যান্ডে জরুরি অবস্থা জারি করে পাঁচ বা এর বেশি মানুষের সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা লঙ্ঘিত হতে পারে এমন সংবাদ বা অনলাইন বার্তা প্রকাশে নিষেধ করা হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারি করায়, পুলিশ কোনো অভিযোগ ছাড়াই যে কাউকে ৩০ দিন পর্যন্ত আটক করে রাখতে পারবে। বেশ কয়েক মাস ধরে থাইল্যান্ডে অস্থিরতা বিরাজ করছে। থাই রাজা মহা ভাজিরালংকর্নের দেশে ফেরা কেন্দ্র করে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে থাইল্যান্ড। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানী ব্যাংককে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। তারা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ক্যাম্প করে বিক্ষোভ করেন। সরকারের দাবি, থাই রাজার গাড়িবহর চলাচলেও বাধা দেন বিক্ষোভকারীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওতে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্য দিয়ে থাই রাজার হলুদ একটি গাড়ি যাওয়ার সময় সেটিকে সুরক্ষা দিচ্ছে পুলিশ। অন্যদিকে, বিক্ষোভকারীরা তিন আঙুল দিয়ে একটি স্যালুট দিচ্ছিলেন, যা থাইল্যান্ডে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছে। এসময় তারা চিৎকার করে নিজেদের দাবিগুলো জানান। চলতি বছরের জুলাই মাসে থাইল্যান্ডে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে সরকার বিরোধী বিশাল বিক্ষোভ শুরু হয়। থাইল্যান্ডে রাজা বা রাজ পরিবারের বিরুদ্ধাচরণ গুরুতর অপরাধ বলে বিবেচিত হয়। রাজার সমালোচনা করলে দীর্ঘ কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে দেশটিতে।
আলোচিত সংবাদবাকি বিশ্বব্রেকিং নিউজযুক্তরাষ্ট্র কম বেতনে চলছে না সংসার, প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে চান বরিস জনসন! by Adminজুলাই ২৭, ২০১৮1698 নিউজ ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী না থাকলে বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারতেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যে বেতন পান তাতে নাকি সংসার খরচ চালাতে পারছেন না তিনি। সম্প্রতি ঘনিষ্ঠমহলে নাকি এসব কথা বলেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ব্যাপারেও নাকি চিন্তা-ভাবনা করছেন তিনি। এ খবর জানিয়েছে মেট্রো ইউকে ও টাইমস নাউ নিউজ। প্রতিবেদনে জনসনের দলের এক এমপির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, আর প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে চান না জনসন। বর্তমানে তার বেতন বছরে দেড় লাখ পাউন্ডের কাছাকাছি। অথচ এর আগে একটি পত্রিকায় কলাম লিখেই তিনি বছরে আয় করতেন ২ লাখ ৭৫ হাজার পাউন্ড। এছাড়া মাসে দু’টি সেমিনারে বক্তৃতা দিয়ে তিনি আয় করতেন ১ লাখ ৬০ হাজার পাউন্ডের কাছাকাছি। সেখানে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সত্যিই তার উপার্জন কমে গেছে। আরও বলা হয়েছে, ছয় ছেলেমেয়ের পড়াশোনা, সাবেক স্ত্রীর খোরপোষ বাবদ প্রতি মাসে অনেক অর্থই খরচ করতে হয় জনসনের। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন তিনি। তবে এখনই নয়, ব্রেক্সিট সম্পর্কিত সমস্ত সমস্যার সমাধান ও করোনা পরিস্থিতি দূর হলেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে, জনসনের পরিবর্তে ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এরইমধ্যে উঠে আসছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটেনের চ্যান্সেলর ঋষি সুনাকের নাম। দেশটির পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে তিনি।
নিউইয়র্ক: নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত কমিটির চেয়ারম্যান হলেন প্রথম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কাউন্সিলওম্যান শাহানা হানিফ। গত ২০ জানুয়ারী সিটি কাউন্সিল সংবাদটি প্রকাশ করেছে। তিনি সাবেক কাউন্সিলম্যান কার্লোস ম্যানচাকা’র স্থলাভিসিক্ত হলেন। নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তির পর শাহানা হানিফ এক বিবৃতিতে বলেছেন, কঠোর পরিশ্রমী বাংলাদেশী দম্পতির সন্তান হিসেবে নিজেকে গৌরবান্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি। লাখ লাখ অভিবাসী এই নিউইয়র্ক সিটিকে আপন ভুবন হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এ অবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত কমিটির চেয়ার হওয়ায় লাখ লাখ অভিবাসীর সমস্যার কথা অকৃপণভাবে শুনবো এবং তা সমাধানে সাধ্যমতো দায়িত্ব পালন করবো। তিনি বলেন, ইমিগ্র্যান্টদের সম্মান, অধিকার ও মর্যাদা সুরক্ষায়ও সোচ্চার থাকবো। তিনি বলেন, নিউইয়র্ক সিটি ইমিগ্র্যান্টদের হোম। শাহানা হানিফ বলেন, সিটি মেয়র অফিসের ইমিগ্রেশন সম্পর্কিত কর্মকর্তাগণও যাতে আন্তরিকতার সাথে নিজে নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন সেদিকেও দৃষ্টি রাখবো। উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটির কাউন্সিল ডিস্ট্রিক্ট-৩৯ থেকে গত নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির টিকিটে জয়ী হয়েছেন শাহানা হানিফ। নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে এর আগে আর কোনো বাংলাদেশী-আমেরিকান জয়ী হতে পারেননি। শাহানা হানিফ যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সমিতি ইউএসএ’র সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হানিফের জ্যেষ্ঠ কন্যা। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সিটির ব্রুকলীনে। খবর ইউএনএ’র।
নিউইয়র্ক : বহির্বিশ্বে বাংলা ভাষাভাষিদের সবচেয়ে বড় উৎসব উত্তর আমেরিকা বঙ্গ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়েছেন সুপার স্টার শাকিব খান। এ বছর ১ থেকে ৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের আলো ঝলমলে জৌলুস নগরী লাস ভেগাসে এ আসর বসছে। উৎসবটি নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেন্স-এনএবিসি নামেও পরিচিত। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিরা ৫২ বছর আগে আমেরিকায় প্রতিষ্ঠা করেন কালচারাল এসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-সিএবি বা বঙ্গ সংস্কৃতি সংঘ। আর এই সংগঠনের অধীনে ৪২ বছর ধরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ এই বাংলা ভাষাভাষি সম্মেলন। বঙ্গ সম্মেলনের ইতিহাসে শাকিব খান প্রথম ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন। গত বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ম্যানহাটানে “মাছের ঝোল” নামে একটি রেস্টুরেন্টে শাকিব খানের সাথে একটি সম্মতি সাক্ষর হয়। এতে আয়োজক সংগঠন সিএবি’র পক্ষে সাক্ষর করেন বঙ্গ সম্মেলন ২০২২ এর আহ্বায়ক মিলন আওন। অনুষ্ঠানে সম্মেলনের বাংলাদেশ আউট রিচের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন হাসানুজ্জামান সাকী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনএবিসি’র কো-কনভেনর অশোক রক্ষিত, সিএবি’র অন্যতম সংগঠক অভিক দাশগুপ্ত, ব্যবসায়ী আদৃশ চত্রবর্তী, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও প্রোডিউসার শাহীন কবির ও অলিভ আহমেদ। শাকিব খান বলেন, এরআগে কয়েকবার বঙ্গ সম্মেলনে আসার কথা থাকলেও সময় সুযোগ না হওয়ায় আসা হয়নি। এবার লাস ভেগাসের বঙ্গ সম্মেলনে আমাকে বাংলাদেশ আউট রিচ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর করায় আমি আনন্দিত। আমি আশা করি, জুলাই মাসে আমেরিকায় বসবাসকারী বাংলাদেশিরা বঙ্গ সম্মেলনে অংশ নেবেন। মিলন আওন বলেন, প্রতি বছর বঙ্গ সম্মেলনে ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষের ভীড় হয়। এবার বলিউড, ঢালিউড ও টলিউডের এক ঝাঁক তারকা উপস্থিত থাকবেন। বাংলা সংগীতের সবকটি শাখা নিয়ে আলাদা জমকালো আয়োজন থাকবে। সাহিত্য আসর, ফ্যাশন শো, নাটক, রিয়েলিটি শো-সহ অনুষ্ঠিত হবে চলচ্চিত্র উৎসব। বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় একশ শিল্পীকে এবারের উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানান মিলন আওন। প্রসঙ্গত, এ বছর লাস ভেগাসের এই আয়োজনে কয়েকটি পর্বে বাংলাদেশকে বিশেষভাবে উপস্থাপন করা হবে। প্রতি বছর উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে এই আসর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
জুয়েল সাদাত : আমেরিকার দ্বিতীয় বাংলাদেশী ঘনবসতিপুর্ন ষ্টেট মিশিগান। নিউইয়র্কের পরই বাংলাদেশের মানুষ বেশী বসবাস করেন মিশিগান । সেখানের ড্রট্রেয়েট হ্যামট্রামিক, ওয়ারেন, স্টাররিং হাইটস, ট্রয়, ডিযারবন, এন হারবার, শেলভি এই সব এলাকায় কমবেশী ৮০ থেকে ৯০ হাজার প্রবাসী বসবাস করেন। ইমিগ্রান্ট হিসাবে যারা বাংলাদেশ থেকে যারা আসেন তারা প্রথমে কিছুদিন নিউইয়র্কে থাকেন তারপর সহজ জীবনযাত্রার শহর মিশিগানে বসতি স্থাপন করেন। বর্তমানে মিশিগান ছাড়াও নিউইয়র্ক এর একটি শহর বাফোলোতে অনেকেই যাচ্ছেন। তবে কাজের সহজলভ্যতা, জীবন যাত্রার স্বল্প ব্যয়, বাংলাদেশী ট্রাডিশনে থাকার নানা কারনে মিশিগান বর্তমানে সবার পছন্দ। মিশিগানে দশ পনের মাইলের মধ্যে ৪৭ টি বাংলাদেশী গ্রোসারী রয়েছে। মিশিগানে প্রতি মাইলে একটি মসজিদ রয়েছে। রয়েছে ২৫ টি ইন্ডিয়ান রেষ্টুরেন্ট বাংলাদেশী মালিকানাতে, মোট বাংলাদেশী প্রবাসী ব্যবসা প্রতিষ্টান ১০০’রও বেশী। মিশিগানে “বাংলাদেশ এভিনিউ” সহ বর্তমানে একটি স্থায়ী শহিদ মিনার তৈরীর প্রক্রিয়াধীন। সেখানে যে সকল প্রবাসীরা রয়েছেন তাদের মধ্যে ৫০ হাজারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশী এখনও সবুজ পাসপোর্ট বহন করেন। এবং প্রতিদিন দুই তিন শত প্রবাসী বাংলাদেশ ট্রাভেল করেন। মিশিগানের কনান্ট স্ট্রীট সহ নানা জায়গায় মানি ট্রান্সফারের দোকান রয়েছে কম বেশী ৩৭ টি। সেখান থেকে প্রবাসীরা যে পরিমান রেমিট্যান্স প্রেরন করেন তার একটি আনুমানিক পরিসংখ্যানে দেখা যায় শুধু মিশিগান থেকে বাংলাদেশী প্রবাসীরা ৬৫ কোটি টাকা প্রতি মাসে প্রেরন করেন। তবে নানা উংসবে সেটা ৭০/৭৫ কোটিতে গিয়ে দাড়ায়। মিশিগানের বেশ কয়েকজন রেমিট্যান্স স্পেশালিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের সাথে আলাপ করে, জানা গেছে এই তথ্য। মিশিগানে গ্রোসারীর সংখ্যা ৪৭ টি, তার মধ্যে ৩৪ টি গ্রোসারীতে প্রতিদিন নুন্যতম ১ হাজার থেকে ১০ হাজার ডলার ট্রানজেকশন হয়ে থাকে। কনান্ট ট্রাভেল, টাকা মানি এক্সচেঞ্জ, কুইক সেন্ড, ওয়ালী এন্টারপ্রাইজ্ ও সোনালী এক্সচেঞ্জ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্টান রেমিট্যান্স প্রেরনে প্রথম সারির ৷ “সোনালী প্রতিষ্টান” নামের সরকারী প্রতিষ্টানটি সরকারী প্রতিষ্টান হিসাবে দাবী রাখলেও বিকাল ৪ টায় সেটা বন্ধ হয়ে যায়, আবার বেশীরভাগ সময় সেটা ৪ ঘন্টা খোলা থাকে। আবার নানান কাগজপত্রের নানা জটিলতায় সেখান থেকে টাকা প্রেরনে অনেকের অনাগ্রহ। মিশিগানে কনসুলেটের দাবীতে মিশিগান প্রবাসীরা সোচ্চার, তারা কি পরিমান রেমিট্যান্স প্রেরন করেন তার সঠিক পরিমান মাসে ১০০ কোটিরও বেশী৷ ৬৫ কোটি বা ৭০ কোটি প্রেরিত হচ্ছে লিগ্যাল চ্যানেলে, বাকি ৩০ কোটি টাকা প্রবাসীরা নিজে বহন করে নিয়ে যান। মিশিগানের ৯০ হাজার প্রবাসীদের মধ্যে ২০০ থেকে ৩০০ জন প্রবাসী প্রতিদিন বাংলাদেশে ভ্রমন করছেন। মাসিক হিসাবে ৫/৬ হাজার প্রবাসী মিশিগান থেকে বাংলাদেশ ভ্রমনকালীন সময়ে নিজে বহন করেন নুন্যতম পাঁচ হাজার থেকে দশ হাজার। নন ডিক্লারেশনে দশ হাজার বহন করা যায়। দুই সপ্তাহ নানা মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেল প্রতিমাসে মিশিগান থেকে ১০০ কোটি টাকা বাংলাদেশে রেমিটেন্স হিসাবে যাচ্ছে। অনেক প্রতিষ্টান নিরাপত্তা জনিত কারনে সঠিক তথ্য দিতে চান নি ৷ তবে একটি প্রতিষ্টানের কর্নধার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান তিনি মাসে এক থেকে দেড় মিলিয়ন ডলার প্রেরন করে থাকেন৷ এই সকল রেমিট্যান্স প্রতিষ্টানে সকাল দশটা থেকে রাত দুটো পর্যন্ত মানি ট্রান্সফার হয়ে থাকে। আমি নিজে সরেজমিনে গভীর রাতে মানি ট্রানজেকশন করতে দেখেছি লাইন ধরে৷ অনেকেই ফ্যাক্টরীতে জব করেন, সেখান থেকে সোজা টাকা পাঠাতে কনাট ষ্ট্রিটে চলে আসেন। প্লাসিড, স্মল ওয়ার্ল্ড, রিয়া, সোনালী এক্সচেঞ্জ সহ নানান কোম্পানীর মাধ্যমে রেমিট্যান্স যাচ্ছে বাংলাদেশে। আবার সরকারের দুই শতাংশ প্রনোদনা অনেককে লিগ্যাল চ্যানেলে টাকা প্রেরনে উ্যসাহ দেয়। অনেকেই মোবাইল এ্যাপস দিয়েও টাকা পাঠিয়ে থাকেন। এ্যাপস জুম, রেমিটি, মেজরিটি সহ প্রায় দশটি এ্যাপস এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশে টাকা পাঠাচ্ছেন নিয়মিত। যার হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাদেশে সারা আমেরিকার প্রবাসীরা কি পরিমান রেমিট্যান্স প্রেরন করেন সেই হিসাব করলে দেখা যায় তা মাসে কয়েক হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। মিশিগানের প্রবাসী বাংলাদেশিরা যে পরিমান রেমিট্যান্স করেন সেই হিসাব করলে অনেক আগেই সেখানে বাংলাদেশ কনসুলেটের একটি অফিস স্থাপিত হতে পারত। কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারনে কম রেমিট্যান্স প্রেরনকারী ফ্লোরিডার মায়ামী কনসুলেট পেয়ে গেল। মিশিগান বাসী দাবী করেন, রেমিট্যান্সের অগ্রাধীকারী হিসাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বশীলরা অচিরেই মিশিগানে কনসুলেট এর অফিস স্থাপন এর ঘোষনা দিবেন। মিশিগানের কয়েকজন প্রবীন কমিউনিটি নেতা জানান, মিশিগান প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিরাট ভুমিকা পালন করছেন, অথচ আমাদের একটি নায্য দাবী পুরন হচ্ছে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী কমিটেড ছিলেন, অথচ তিনি সেই দায় এড়িয়ে চলছেন। মিশিগানের কনসুলেট অনেক রাজস্ব আদায় করতে সক্ষম হবে নিঃসন্দেহে। ফ্লোরিডার কনসুলেট চালু হবে আগামী মার্চে সেখানে চারজন কর্মকর্তা অবস্থান করছেন, অফিসও নেয়া হয়েছে। মিশিগান বাসী জোর দাবী করেন মিশিগান কনসুলেট অনেক কার্যকর হবে এবং রাজস্ব আদায়ে অগ্রনী ভুমিকা রাখবে। প্রায় এক লাখ মিশিগানবাসী পররাষ্ট্র্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র্র প্রতিমন্ত্রীর নিকট মিশিগানে প্রবাসীদের নায্য দাবী স্থায়ী কনসুলেটের দাবী জানান।
ইন্টারনেট প্রোটোকল টেলিভিশন-আইপিটিভি ও ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কেউ সংবাদ পরিবেশন করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘সম্প্রচার নীতিমালা অনুযায়ী কোনো আইপিটিভি বা ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে কেউ সংবাদ পরিবেশন করতে পারে না। কিন্তু দেখা যায় আইপিটিভির মাধ্যমে এখনো কোনো কোনো জায়গায় সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে। সেখানে নিয়মিত সংবাদ বুলেটিন পরিবেশন করা হয়। ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমেও সংবাদ বুলেটিন প্রচার করা হচ্ছে। এটি আমাদের সম্প্রচার নীতিমালা বিরোধী। জেলা প্রশাসকদের এ বিষয়ে নজর রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মলনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তথ্যমন্ত্রী এ কথা জানান। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা প্রশাসকরা হচ্ছেন, মাঠ প্রশাসনের প্রাণ। জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমেই সরকারি সিদ্ধান্তগুলো মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। এজন্য জেলা প্রশাসক সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘যে সেশনটি একটু আগে শেষ করলাম, সেখানে যে বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে, তার মধ্যে বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, দেশে প্রায় ৯ কোটি মানুষ সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, সেটি প্রতিনিয়ত বাড়ছে।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া যেমন প্রচারের বড় ক্ষেত্র, তেমনি অপপ্রচার বা গুজব রটানোরও ক্ষেত্র। গত ৭-৮ বছরের পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যাবে, দেশে যেসব দুর্ঘটনা ঘটেছে, গুজব রটেছে, রটানো হয়েছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে, তার সবগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমে করানো হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের কাছে আমরা সেই বিষয়টি তুলে ধরেছি। অনেক সময় দেখা যায়, বিভ্রান্তিমূলক নানান খবর ছড়ানো হয়। সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়িয়ে দেশে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করা হয়। সেই বিষয়গুলো ডিসিদের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। তারা যেন এসব বিষয়ে তৎপর থাকেন এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।’
পরিচয় রিপোর্ট: নিউইয়র্ক সিটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে মেয়র এরিক এডামস যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন তার উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ২০১৯ সালে পাশ হওয়া নিউইয়র্ক ষ্টেট বেইল রিফর্ম (জামিন প্রক্রিয়ার সংস্কার) বিধির পুনরায় সংশোধন। মেয়র এডামসের মতে অভিযুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারের পরপরই সহজ পন্থায় জামিন প্রদানের কারণে ছাড়া পেয়ে পুনরায় অপরাধপ্রবণতায় লিপ্ত হতে কোন বাধা থাকেনা। গত দুই বছরে এভাবে অনেক অভিযুক্ত অপরাধী জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধমুলক কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে একদিকে গ্রেফতার হচ্ছেন আর অল্প সময় পরে ছাড়াও পেয়ে যাচ্ছেন। এভাবে অপরাধ দমন খুবই কঠিন। নিউইয়র্ক সিটির সাবেক পুলিশ কমিশনার বিল ব্রাটন মেয়র এরিক এডামসের অবস্থানকে সমর্থন করলেও গভর্ণর হোকুল কিন্তুু মেয়র এডামসের প্রস্তাব সমর্থনে নারাজ। গভর্ণর হোকুল মনে করেন, বেইল রিফর্ম (জামিন প্রক্রিয়ার সংস্কার) বিধি আপাতত যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক। রাজনীতিবিদ এবং সংশ্লিষ্টরা চাইলে ভবিষ্যতে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে তবে এখুনি নয়। ফলে মেয়র এডামস বড় ধরনের একটি ধাক্কা খেলেন। গত সপ্তাহে খুন হওয়া নিউইয়র্ক সিটির দুই জন পুলিশ অফিসারের একজন জেসন রিভেরার স্ত্রী গত শুক্রবার (২৮ জানুয়ারী) তাঁর স্বামীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় ম্যানহাটান বরোর ডিষ্ট্রিক্ট এটর্ণী আলভিন ব্রাগ সম্প্রতি অভিযুক্ত অপরাধীদের প্রতি নমনীয় মনোভাব প্রদর্শনের যে বিতর্কিত এবং বহুলভাবে সমালোচিত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তার প্রতি ইঙ্গিত করে নিউইয়র্ক সিটির অবস্থা এখন ভাল নয়। আগামী গভর্ণর পদে নির্বাচন করার মোহে গভর্ণর হোকুলের অবস্থানকে অনেকে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের কৌশল হিসেবে মনে করছেন।
পরিচয় রিপোর্ট: নিউইয়র্ক সিটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে মেয়র এরিক এডামস যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন তার উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ২০১৯ সালে পাশ হওয়া নিউইয়র্ক ষ্টেট বেইল রিফর্ম (জামিন প্রক্রিয়ার সংস্কার) বিধির পুনরায় সংশোধন। মেয়র এডামসের মতে অভিযুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারের পরপরই সহজ পন্থায় জামিন প্রদানের কারণে ছাড়া পেয়ে পুনরায় অপরাধপ্রবণতায় লিপ্ত হতে কোন বাধা থাকেনা। গত দুই বছরে এভাবে অনেক অভিযুক্ত অপরাধী জামিনে মুক্ত হয়ে পুনরায় অপরাধমুলক কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে একদিকে গ্রেফতার হচ্ছেন আর অল্প সময় পরে ছাড়াও পেয়ে যাচ্ছেন। এভাবে অপরাধ দমন খুবই কঠিন। নিউইয়র্ক সিটির সাবেক পুলিশ কমিশনার বিল ব্রাটন মেয়র এরিক এডামসের অবস্থানকে সমর্থন করলেও গভর্ণর হোকুল কিন্তুু মেয়র এডামসের প্রস্তাব সমর্থনে নারাজ। গভর্ণর হোকুল মনে করেন, বেইল রিফর্ম (জামিন প্রক্রিয়ার সংস্কার) বিধি আপাতত যেভাবে আছে সেভাবেই থাকুক। রাজনীতিবিদ এবং সংশ্লিষ্টরা চাইলে ভবিষ্যতে এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে তবে এখুনি নয়। ফলে মেয়র এডামস বড় ধরনের একটি ধাক্কা খেলেন। গত সপ্তাহে খুন হওয়া নিউইয়র্ক সিটির দুই জন পুলিশ অফিসারের একজন জেসন রিভেরার স্ত্রী গত শুক্রবার (২৮ জানুয়ারী) তাঁর স্বামীর শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় ম্যানহাটান বরোর ডিষ্ট্রিক্ট এটর্ণী আলভিন ব্রাগ সম্প্রতি অভিযুক্ত অপরাধীদের প্রতি নমনীয় মনোভাব প্রদর্শনের যে বিতর্কিত এবং বহুলভাবে সমালোচিত সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তার প্রতি ইঙ্গিত করে নিউইয়র্ক সিটির অবস্থা এখন ভাল নয়। আগামী গভর্ণর পদে নির্বাচন করার মোহে গভর্ণর হোকুলের অবস্থানকে অনেকে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের কৌশল হিসেবে মনে করছেন।